কুমিল্লার ফোকাস ঃ গাইবান্ধার প্রধান নদ-নদীগুলোর পানি ওঠানামার কারণে জেলাজুড়ে তীব্র নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। গত কয়েকদিনের ভাঙনে সদর, সুন্দরগঞ্জ ও ফুলছড়ি উপজেলার অন্তত ২৫টি পয়েন্টে সাড়ে আট শতাধিক পরিবার গৃহহীন হয়ে পড়েছে। নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে আবাদি জমি, গাছপালা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও বন্যার কারণে জেলার সাত উপজেলায় অন্তত ১১৮ হেক্টর জমির ফসল সম্পূর্ণ নষ্ট হয়েছে। এর মধ্যে ৪৫ হেক্টর আউশ, ৩০ হেক্টর পাট, ২৫ হেক্টর তিল, ১০ হেক্টর শাকসবজি এবং ৮ হেক্টর আমন বীজতলা রয়েছে। হঠাৎ পানি বৃদ্ধির কারণে তলিয়ে যাওয়া ফসলে পচন ধরায় চরম লোকসানে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকেরা।
পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় তিস্তা নদীর পানি কিছুটা কমলেও ব্রহ্মপুত্র, ঘাঘট ও করতোয়া নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে কোনো নদীর পানি এখনো বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি। ভাঙনকবলিত এলাকায় ভাঙন রোধে জিওব্যাগসহ জরুরি প্রতিরক্ষা কাজ চলছে বলে জানিয়েছে পাউবো কর্তৃপক্ষ।