[caption id="attachment_494" align="aligncenter" width="204"]
ঠাকুরগাঁওয়ে ৩.৪৫ কোটির কষ্টি পাথরের বিষ্ণুমূর্তি উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২[/caption]
দৈনিক কুমিল্লার ফোকাসঃ ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলায় আন্তর্জাতিক চক্রের হাতে পাচারের আগেই প্রায় ১১৫ কেজি ওজনের একটি বিরল কষ্টি পাথরের বিষ্ণুমূর্তি উদ্ধার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-১৩)। উদ্ধার হওয়া এই প্রত্নসম্পদের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুই পাচারকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন র্যাব-১৩-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) বিপ্লব কুমার গোস্বামী।
র্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার বিকেলে র্যাব-১৩-এর নীলফামারী ক্যাম্পের একটি বিশেষ দল হরিপুর উপজেলার বকুয়া ইউনিয়নের কিসমত ভৈষা গ্রামে অভিযান চালায়। সেখানে মো. হাসান আহাম্মদের বাড়ির গোয়ালঘরে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা অবস্থায় বিশাল আকৃতির এই মূর্তিটি উদ্ধার করা হয়।
মূর্তিটির মোট ওজন প্রায় ১১৫ কেজি। এর মাথার অংশের দৈর্ঘ্য ৩২ ইঞ্চি, প্রস্থ ২২ ইঞ্চি এবং নিচের অংশের দৈর্ঘ্য ১৬ ইঞ্চি, প্রস্থ ২২ ইঞ্চি। প্রাথমিকভাবে এটিকে অত্যন্ত মূল্যবান ও ঐতিহাসিক গুরুত্বসম্পন্ন প্রত্নসম্পদ বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অভিযান চলাকালে কিসমত ভৈষা গ্রামের মো. হাসান আহাম্মদ (২৬) এবং নন্দগাঁও এলাকার মো. নাজমুল (৬৪)-কে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করেছে, মোটা অঙ্কের অর্থের লোভে মূর্তিটি পার্শ্ববর্তী দেশে পাচারের পরিকল্পনা করেছিল তারা। এই চক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে র্যাবের গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের করে উদ্ধারকৃত মূর্তিসহ তাদের হরিপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মূর্তিটি সংরক্ষণের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রত্নতাত্ত্বিক কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছে র্যাব।